আমরা গিয়েছিলাম বাংলাদেশের প্রথম সুপারহিরো ফিকশনাল ইউনিভার্স এর জনক তরূণ প্রজন্মের সাহিত্যিক মুহাম্মদ রাগিব নিযামের কাছে। "বাংলাদেশের অতিমানবেরা" শিরোনামে তার বিশাল একটি গল্পের সিরিজ আছে। যা ২০১৩ থেকে আজ অব্দি চলছে অনলাইন এবং অফলাইনে সমান তালে। চলুন পড়ে নেই সেই সাক্ষাৎকারটি।
কেটিভিঃ কেমন আছেন?
রাগিবঃ তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে জীবনের নিয়মে।
কেটিভিঃ সাত বছরে পা দেবে আপনার সিরিজ। বলা হচ্ছে এটা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে চলমান গল্প সিরিজ। কেমন বোধ করছেন?
রাগিবঃ আমি কর্মে বিশ্বাসী। এই সাত বছরটা আমার জন্য কিছুই না। আমার মনে হচ্ছে সেদিন শুরু করেছি। আমাদের টিমে অ্যানালাইজার আছে। প্রথম যখন শুরু করি কেউ ছিলো না পাশে। এখন পাঁচ জন গবেষক আছে। তারা আমাকে ভিলেনের পাওয়ার, নতুন কি ধরণের সুপারহিরো নিয়ে গল্প লেখা যায় সেজন্য সাজেস্ট করে।
কেটিভিঃ একটু ব্রিফ দেবেন আপনার এই কাজ সম্বন্ধে?
রাগিবঃ দেখেন, হুমায়ুন স্যার, কাজী আনোয়ার হোসেন এরা এক একটা মাইক্রোভার্স বানিয়েছেন। হিমু, মিসির আলী এদের এক একটা নিজস্ব জগত আছে। মাসুদ রানা, খবির, সোহানা, কুয়াশা আরো অনেক চরিত্র আছে এই মাসুদ রানা ভার্স এ। তেমনটা আমারটাও। আমি এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০+ চরিত্র নিয়ে কাজ করেছি। ১০০টার মতো গল্প উপন্যাস লেখা হয়ে গেছে।
কেটিভিঃ একটু আগে হুমায়ুন স্যারের কথা বললেন। আপনি রম্য লিখতেন একসময়। সেটা ছেড়ে কেনো সুপারহিরো সায়েন্স ফিকশন নিয়ে উঠে পড়ে লাগলেন?
রাগিবঃ বাংলাদেশে সুপারহিরোর একটা বৈশ্বিক ধাক্কা এসে পড়েছে। যেদিকে যাই এভেঞ্জারস, জাস্টিস লীগ, সুপার ম্যান, আয়রন ম্যান, ব্যাটম্যান, স্পাইডারম্যান এসব। আমি ২০১১ সালে হুমায়ুন স্যার মারা যাওয়ার পর চিন্তা করেছিলাম এমন কিছু করতে যা সম্পূর্ণ নতুন হবে আমাদের নেক্সট জেনারেশনের জন্য। এখন সবাই ক্রেজি সুপার ফিকশনের জন্য। আর রম্যের পথে হাটিনি কারণ প্রেম, ভালোবাসা, হিমু টাইপ গল্প এসব লেখার জন্য প্রচুর লেখকে সয়লাব হয়ে গেছে দেশে। আমি নিজে ঐ গন্ডী থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছি এবং সফল হয়েছি।
কেটিভিঃ এর মানে হলো জাফর ইকবাল স্যারের পর আপনি হাল ধরছেন প্রজন্মের?
রাগিবঃ এটা কি বললেন? আমি তো নগন্য। স্যার হলেন বাংলা সায়েন্স ফিকশনের জনক।
কেটিভিঃ আর আপনি বাংলাদেশের সুপারহিরোদের জনক।
রাগিবঃ হা হা হা। ফাদার অব বাংলা সুপারহিরোজ। আই লাইক ইট।
কেটিভিঃ আপনার কোনো স্পেশাল সিরিজ আছে। কিছু চরিত্রের বিশ্লেষণ দিতেন যদি...
রাগিবঃ আমি এই মেগা সিরিজের আন্ডারে অনেক টিম আপ, সিরিজ, চরিত্র নিয়ে লিখেছি। সিরিজ- এজেন্টস অব ডি, রেড ব্যাটেলিয়ন,্গোপন সংঘ, দুর্ধর্ষ সংঘ(কিলিং ডিসেম্বর), দশবজ্র, প্রহরী কর্প, লীগ অব মাস্টার্স , তরুণ সংঘ ও দ্রুতি সংঘ। মেটাহিউম্যান, ভিজিলেন্টি, মিউট্যান্ট অনেক রকম পাওয়ারের চরিত্র আছে।
কেটিভিঃ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?
রাগিবঃ আমার মাথায় খুব চাপ এসছে। কিলিং ডিসেম্বর আর রেড ব্যাটেলিয়ন এই দুটো সিরিজের ৫ম খন্ড পর্যন্ত শেষ করা লেখা। ইউনিভার্স আর রাখতে চাই না।
কেটিভিঃ সেকি শেষ করে দেবেন লেখালেখি?
রাগিবঃ গেম অব থ্রোনসের লেখকের মতো একটু জিরিয়ে নতুন কোনো জগত নিয়ে লেখা আরম্ভ করবো?
কেটিভিঃ নুতন জগত দিয়ে আমাদের মুগ্ধ করবেন এই প্রত্যাশায় শুভ কামনা।
রাগিবঃ আপনাদের ও ধন্যবাদ আসার জন্য।
কেটিভিঃ কেমন আছেন?
রাগিবঃ তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে জীবনের নিয়মে।
কেটিভিঃ সাত বছরে পা দেবে আপনার সিরিজ। বলা হচ্ছে এটা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে চলমান গল্প সিরিজ। কেমন বোধ করছেন?
রাগিবঃ আমি কর্মে বিশ্বাসী। এই সাত বছরটা আমার জন্য কিছুই না। আমার মনে হচ্ছে সেদিন শুরু করেছি। আমাদের টিমে অ্যানালাইজার আছে। প্রথম যখন শুরু করি কেউ ছিলো না পাশে। এখন পাঁচ জন গবেষক আছে। তারা আমাকে ভিলেনের পাওয়ার, নতুন কি ধরণের সুপারহিরো নিয়ে গল্প লেখা যায় সেজন্য সাজেস্ট করে।
কেটিভিঃ একটু ব্রিফ দেবেন আপনার এই কাজ সম্বন্ধে?
রাগিবঃ দেখেন, হুমায়ুন স্যার, কাজী আনোয়ার হোসেন এরা এক একটা মাইক্রোভার্স বানিয়েছেন। হিমু, মিসির আলী এদের এক একটা নিজস্ব জগত আছে। মাসুদ রানা, খবির, সোহানা, কুয়াশা আরো অনেক চরিত্র আছে এই মাসুদ রানা ভার্স এ। তেমনটা আমারটাও। আমি এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০+ চরিত্র নিয়ে কাজ করেছি। ১০০টার মতো গল্প উপন্যাস লেখা হয়ে গেছে।
কেটিভিঃ একটু আগে হুমায়ুন স্যারের কথা বললেন। আপনি রম্য লিখতেন একসময়। সেটা ছেড়ে কেনো সুপারহিরো সায়েন্স ফিকশন নিয়ে উঠে পড়ে লাগলেন?
রাগিবঃ বাংলাদেশে সুপারহিরোর একটা বৈশ্বিক ধাক্কা এসে পড়েছে। যেদিকে যাই এভেঞ্জারস, জাস্টিস লীগ, সুপার ম্যান, আয়রন ম্যান, ব্যাটম্যান, স্পাইডারম্যান এসব। আমি ২০১১ সালে হুমায়ুন স্যার মারা যাওয়ার পর চিন্তা করেছিলাম এমন কিছু করতে যা সম্পূর্ণ নতুন হবে আমাদের নেক্সট জেনারেশনের জন্য। এখন সবাই ক্রেজি সুপার ফিকশনের জন্য। আর রম্যের পথে হাটিনি কারণ প্রেম, ভালোবাসা, হিমু টাইপ গল্প এসব লেখার জন্য প্রচুর লেখকে সয়লাব হয়ে গেছে দেশে। আমি নিজে ঐ গন্ডী থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছি এবং সফল হয়েছি।
কেটিভিঃ এর মানে হলো জাফর ইকবাল স্যারের পর আপনি হাল ধরছেন প্রজন্মের?
রাগিবঃ এটা কি বললেন? আমি তো নগন্য। স্যার হলেন বাংলা সায়েন্স ফিকশনের জনক।
কেটিভিঃ আর আপনি বাংলাদেশের সুপারহিরোদের জনক।
রাগিবঃ হা হা হা। ফাদার অব বাংলা সুপারহিরোজ। আই লাইক ইট।
কেটিভিঃ আপনার কোনো স্পেশাল সিরিজ আছে। কিছু চরিত্রের বিশ্লেষণ দিতেন যদি...
রাগিবঃ আমি এই মেগা সিরিজের আন্ডারে অনেক টিম আপ, সিরিজ, চরিত্র নিয়ে লিখেছি। সিরিজ- এজেন্টস অব ডি, রেড ব্যাটেলিয়ন,্গোপন সংঘ, দুর্ধর্ষ সংঘ(কিলিং ডিসেম্বর), দশবজ্র, প্রহরী কর্প, লীগ অব মাস্টার্স , তরুণ সংঘ ও দ্রুতি সংঘ। মেটাহিউম্যান, ভিজিলেন্টি, মিউট্যান্ট অনেক রকম পাওয়ারের চরিত্র আছে।
কেটিভিঃ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?
রাগিবঃ আমার মাথায় খুব চাপ এসছে। কিলিং ডিসেম্বর আর রেড ব্যাটেলিয়ন এই দুটো সিরিজের ৫ম খন্ড পর্যন্ত শেষ করা লেখা। ইউনিভার্স আর রাখতে চাই না।
কেটিভিঃ সেকি শেষ করে দেবেন লেখালেখি?
রাগিবঃ গেম অব থ্রোনসের লেখকের মতো একটু জিরিয়ে নতুন কোনো জগত নিয়ে লেখা আরম্ভ করবো?
কেটিভিঃ নুতন জগত দিয়ে আমাদের মুগ্ধ করবেন এই প্রত্যাশায় শুভ কামনা।
রাগিবঃ আপনাদের ও ধন্যবাদ আসার জন্য।
দেখুন যুদ্ধক্ষেত্রে কিভাবে সৈনিকেরা নিজেদের টিকিয়ে রাখে

0 Comments: